
সাভারে এক মাস সিয়াম সাধনার পর শান্তি ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা।
উপজেলার সাভার সরকারি হাই স্কুল মাঠ ও ঐতিহ্যবাহী সাভার সরকারি কলেজের তারাপুর-ভাগলপুর ঈদগাহ মাঠে পৃথকভাবে পবিত্র ঈদুল ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (৩১ মার্চ) সকাল ৮ টায় উপজেলার প্রাচীনতম সাভার সরকারি হাই স্কুল মাঠ ও ঐতিহ্যবাহী সাভার সরকারি কলেজের তারাপুর-ভাগলপুর ঈদগাহ মাঠে মুসল্লিরা এবারের ঈদের জামাতে অংশ নেন।
ঈদগাহে আনন্দ উৎসবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আসেন ঈদুল ফিতরের জামাত আদায় করতে। এ সময় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের নিপীড়িত মানুষদের জন্য আল্লাহর দরবারে সাহায্য প্রার্থনা সহ দেশ ও জনগণসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এছাড়াও দল, মত, শ্রেণি, পেশা নির্বিশেষে সবাই একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন।
জামাতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহপরিবার কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু, ঐতিহ্যবাহী সাভার সরকারি কলেজের তারাপুর-ভাগলপুর ঈদগাহ মাঠের সভাপতি ও সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুবকর সরকার, সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও সাভার সরকারি হাই স্কুল ঈদগাহ মাঠের সভাপতি মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা, সাভার মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) হেলাল উদ্দিন, সাভার মডেল থানা মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি আবুল বাশার চৌধুরী তুহিন,
সাভার সরকারি হাই স্কুল ঈদগাহ মাঠের
ঈদ উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মতিউর রহমান, সাভার মডেল থানা মসজিদ কমিটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, সাভার সরকারি হাই স্কুল ঈদগাহ মাঠের ঈদ উদযাপন কমিটির কোষাধক্ষ্য আশরাফ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।
পৌর কর্তৃপক্ষ জানান, কেন্দ্রীয়ভাবে প্রধান দুইটি জামাত অনুষ্ঠিত হয় দুই ঈদগাহে। অসংখ্য মুসল্লি এবারের ঈদের জামাতে অংশ নেন। ঈদের নামাজের দুইটি জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায়।
প্রাচীনতম সাভার সরকারি হাই স্কুল ঈদগাহ মাঠের জামাতে ইমামতি করেন সাভার মডেল থানা জামে মসজিদের খতিব মুফতি ওমর ফারুক।
ঐতিহ্যবাহী সাভার সরকারি কলেজের তারাপুর-ভাগলপুর ঈদগাহ মাঠের জামাতে ইমামতি করেন ভাগলপুর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হযরত মাওলানা মুফতি সাঈদ আহমাদ লাকসামী।
এ ছাড়াও উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে শতাধিক স্থানে শান্তি ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা।